মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার বাংলাবাজারে শিশু ধর্ষণের ৭ বছর পর ধর্ষক রুহুল আমিনকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার ভোর ৪টার দিকে ঢাকার মিরপুর পল্লবীর ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জানা গেছে, ২০০৬ সালের মাঝামাঝি মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার চরাঞ্চল বাংলাবাজার ইউনিয়নের বানিয়াল-ইসলামপুর গ্রামে ১২ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করে রুহুল আমীন। এ ঘটনায় মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় ধর্ষণের অভিযোগে শিশুটির পরিবার মামলা দায়ের করে।
গ্রেপ্তারের ভয়ে সৌদি আরব পাড়ি দেয় বাংলাবাজার ইউনিয়নের বানিয়াল-ইসলামপুর গ্রামের প্রয়াত ডেঙ্গা সরদারের ছেলে রুহুল আমিন।
সদর থানার ওসি শহীদুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন প্রবাস জীবন কাটিয়ে সম্প্রতি দেশে ফেরে রুহুল আমিন। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে রাজধানীর মিরপুর-পল্লবীর ৫ নম্বর ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করে।
মিরপুর-পল্লবী থানা পুলিশের সহযোগিতায় বুধবার ভোরে ধর্ষক রুহুল আমিনকে মুন্সীগঞ্জ সদর থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ জানায়, ২২ দিন আগে সৌদি থেকে দেশে ফেরে ধর্ষক রুহুল আমিন। শিশু ধর্ষণ মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি আছে।
জাস্ট নিউজ
======
মুন্সীগঞ্জে ধর্ষণ মামলার আসামি ঢাকায় গ্রেফতার
মুন্সীগঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রুহুল আমিন সরদারকে (২৮) ঢাকার মিরপুরের পল্লবী থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দিনগত মধ্যরাতে পল্লবী থানা পুলিশের সহায়তায় সদর থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
বুধবার বেলা ১২টার দিকে গ্রেফতারকৃত আসামি আমিনকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। সে বাংলাবাজার ইউনিয়নের বানিয়াল ইসলামপুর গ্রামের মৃত ডেঙ্গু সরদারের ছেলে।
জানা গেছে, ২০০৬ সালে বানিয়াল ইসলাপুর এলাকার ১২ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করে রুহুল আমিন সরদার। এ ঘটনার পর সে দেশ ছেড়ে সৌদি আরব চলে যায়।
তার অনুপস্থিতে মামলায় তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। রুহুল আমিন সরদার পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সিদ্ধার্থ সাহা জানান, আসামি ৭ বছর পালিয়ে থাকার পর ২২ দিন আগে সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে আসে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ঢাকার ভাড়া বাসা থেকে ধর্ষক রুহুল আমিনকে গ্রেফতার করা হয়।
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর

Leave a Reply