দুর্বৃত্তদের ছোড়া এসিডে ঝলসে গেছে বাদশা (২৭) নামের এক যুবকের শরীরের বিভিন্ন অংশ। উপজেলার কনকসার ইউনিয়নের নাগের হাট গ্রামে বুধবার রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন এসিড সন্ত্রাসের শিকার বাদশার পরিবার।
অভিযোগ কারী বাদশার বাবা মোঃ ইব্রাহিম শেখ ও এলাকা বাসি জানান, বুধবার রাত সাড়ে ৮টায় যথারীতি কাজ সেরে ঢাকা থেকে নাগের হাটের গ্রামের বাড়িতে ফিরে বাদশা শেখ। কিছুক্ষ পরে প্রকৃতির ডাকে সারা দিতে বাইরে বের হলে পুর্ব থেকে উৎপেতে থাকা দুবৃত্তরা বাদশার শরীরে এসিড নিক্ষেপ করে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
বাদশার ডাক চিৎকারে তার বাড়ির লোকজন সহ আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তার শরীরের বিভিন্ন যায়গায় ক্ষত স্থানে পানি ঢালতে থাকে এবং এলাকাবাসির সহযোগিতায় তাকে দ্রুত ঢাকার মিডফোর্ট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরিবারের দাবি বাদশা কে এসিড নিক্ষেপ করে দুবৃত্তরা দ্রুত পালানোর সময় তাদের কে চিনতে পেরেছে তারা।
এদিকে এলাকাবাসি এলাহি শিকদার (৬০) জানান, বাদশার সাথে এলাকার কারো সাথে কোন রকম দন্ধ নেই।
তবে পরিবারের পক্ষ থেকে জানাযায়, বাদশার বিয়ে নিয়ে কিছুটা দন্দ রয়েছে একই এলাকার সেলিম খানের সাথে গত দুই বছর আগে বাদশা সেলিম খানের ছোট শালি মিতুকে বিয়ে করায় বিষয়টি মেনে নেয়নি সেলিম খান ও তার স্ত্রী মিতুর বড় বোন শারমিন।
বিয়ের এক বছর পার হতেই নানা অজুহাতে বাদশার সাথে ঝগড়াজাটি লেগেই থাকত মিতুর সাথে বনিবনা হচ্ছিল না কিছুতেই। পরিবারের অভিযোগ গত সাত মাস আগে রাতের অন্ধকারে মিতু বাড়ি থেকে নগদ ৩ লাখ টাকা ও ৫ ভরি স্বর্ণলংকার নিয়ে বাদশার পরিবারের কাউকে কিছু না বলে ভগ্নিপতি সেলিম খানের সাথে চলে যায়।
এ ব্যাপারে বাদশা শেখ লৌহজং থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। তার কিছু দিন পরই মিতু বাদশার বিরুদ্বে যৌতুকের অভিযোগ এনে একটি মামলা দায়ের করেন এতে বাদশা বেশ কিছুদিন হাজত বাস করেন।
তখন থেকেই বাদশাকে হত্যার পরিকল্পনা করছে সেলিম খান অভিযোগ বাদশার। এর থেকেই দন্ধ শুরু বুধবার রাতে তার উপর এসিড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার মোঃ আবুল হাসেম মিয়া (৮৫) কে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরে তার শরীরেরও এসিড নিক্ষেপ করেন তার পাশের বাড়ির এই সেলিম খান। এ বিষয়ে লৌহজং থানায় বাদশা শেখ বাদি হয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
বাংলাপোষ্ট

Leave a Reply