চুলোয় খানেক ভাত চড়িয়ে, বদনে ভরা হাসি।
দু:খ, কষ্ট দুর হয়ে যায়, অভাব দুরে ভাসি।
দুপুর গড়ায় জোটেনি কিছু, খানিকটা পরে খাবে।
এই আনন্দে নি:সঙ্গ জামাল, সুখে ভেসে রবে।
বয়স যদিও ষাটের ঘরে, স্বজন কেহ নাই।
সন্তানের কদাচ মুখ দেখেনি, স্ত্রীও ধাই ধাই।
বড়দের ভীরে ভাঙ্গাঘরে, একাই জামাল থাকে।
ক্ষুধা মিঠায় কারো পাতে, যখন যেবা ডাকে।
বাক প্রতিবন্ধী নিজের ভাষায়, করবে কারে সাথী?
রোগা হলে আঁধারে ডুবে, কেউ দেয়না গৃহে বাতি?
নেইতো টাকা, নেইতো কড়ি, অভাবে জীবন গড়াগড়ি।
নি:সঙ্গতে জীবন কাটে, মিরকাদিমের চৌধুরীবাড়ি, স্নান করে বানিয়ার ঘাটে।
রোগা পায়ে তাঁর পথ চলা, মুখ আউরিয়ে ভাষা বলা।
কেউকি শোনতে চায়? অভাবে ভরা জামালের মুখে তবু হাসির ঠাঁয়!
কাগজের কাজে ভাত জুটেনা, অনাহারে তায়।
এভাবেই জামালের জীবন, ছয় দশকে যায়।
ছিঁড়া পিড়ন, ছিঁড়া তফন জড়িয়ে জামালের গায়।
রোজা মুখে ইবাদত শালায়, ইবাদতে যায়।


Leave a Reply