জাগলে বেলা পাখির মেলা,
মোর ছাদের কানায় কানায়,
অতিথি হয়ে এলো বুঝি—
মিষ্টি সুরের অলকানায়।
কয়েকশত ঘুঘু-চড়ুই
আকাশ জুড়ে নামলো নিচে,
রাতের দেওয়া খাবারগুলো
এক নিমেষেই শেষ করে যে!
ফের খাবার পাওয়ার ব্যাকুলতায়
বসে আছে গাছের ডালে,
কান্ড দেখে সামিত- ওর মামনি
হাসছে গোপন হাসির তালে।
বস্তা খুলে চালের দানা
যেই ছড়িয়ে দিলাম ছাদে,
উচ্ছ্বাসে সব মেখায় পাখা
মুক্ত হাওয়ার সুরের ফাঁদে।
উড়ন্ত ওই পাখির ডানায়
হৃদয় জুড়ে কী যে আমেজ!
মনে হয় মোর ছাদটা যেন
স্বর্গপুরীর শান্তবেশ।
ইচ্ছে করে সোলেমানের
অলৌকিক সেই ক্ষমতা পাই,
পাখির ভাষায় কথা বলে
তাদের সুখে ভেসে যাই।
মাতাল কবি হতাম তবে
পাখির ডানায় স্বপ্ন আঁকি,
এই জীবনের ক্লান্তি ভুলে
তাদের সুরেই মেতে থাকি।

Leave a Reply