আজ ৮ সেপ্টেম্বর বরেণ্য কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলনের ৫৭তম জন্মদিন। ১৯৫৫ সালের এ দিনে তিনি বিক্রমপুরের মেদিনীগুল গ্রামে নানা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস মুন্সীগঞ্জ বিক্রমপুরের লৌহজং থানার পয়সা গ্রামে। ইমদাদুল হক মিলন এপার ওপার দুই বাংলায়ই তুমুল জনপ্রিয়। দুই বাংলায়ই তার ‘নূরজাহান’ উপন্যাসটি ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। অধিবাস, পরাধীনতা, কালাকাল, বাঁকাজল, নিরন্নের কাল, পরবাস, কালোঘোড়া, মাটি ও মানুষের উপাখ্যান, পর, কেমন আছ, সবুজপাতা, জীবনপুর প্রভৃতি তার বিখ্যাত বই। তার লেখা দেড় শতাধিক নাটকের মধ্যে কোন কাননের ফুল, বারো রকম মানুষ, রূপনগর, যুবরাজ, কোথায় সেজন, আলতা, একজন, নীলু, তোমাকেই, ছোছা কদম, আঁচল, খুঁজে বেড়াই তারে, কোন গ্রামের মেয়ে, মেয়েটি এখন কোথায় যাবে যথেষ্ট দর্শকপ্রিয়তা পায়। ঈদের পর চ্যানেল আইয়ে প্রচার হবে তার ৪১ পর্বের ‘যত দূর যাই’ সিরিজটি। ইমদাদুল হক মিলন তার লেখালেখির স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলা একাডেমী পুরস্কার, হুমায়ুন কাদির সাহিত্য পুরস্কার, এস এম সুলতান পদক, ঢাকা যুব ফাউন্ডেশন, পদক, শেরে বাংলা পদক, টেনাশিনাস পুরস্কার, কলকাতা চোখ সাহিত্য পুরস্কার, জাপান রাইটার্স অ্যাওয়ার্ড, মাদার তেরেসা পদক, বাচসাস পুরস্কার পান। ২০০৬ সালে জাপান ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘তাকেশি কায়েকো মেমোরিয়াল এশিয়ান রাইটারস লেকচার সিরিজে’ বাংলাভাষার একমাত্র লেখক হিসেবে তিনি অংশগ্রহণ করেছিলেন। জাপানের চারটি ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে তিনি বাংলাদেশের সাহিত্য এবং তার নিজের লেখা নিয়ে বক্তৃতা করেন। এশিয়ার লেখকদের জন্য এটি বিরল সম্মান। বর্তমানে তিনি দৈনিক কালের কণ্ঠের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আমরা তাঁর দীর্ঘায়ু এবং সুস্থ জীবন কামনা করছি…![]()

দেরীতে হলেও জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাই। পূরবী
তাই তো… ঠিক করেছি। এসব ভ্লল গুলো যখন আপনারা ধরিয়ে দেন তখন মনে হয় আমিও মানুষ…হাহাহাহ
ইমদাদুল হক মিলনকে তার জন্ম দিনের শুভেচ্ছা্।১৯৫৫ সালে জন্ম নিয়ে তার বয়স ৬৬ হয় কি ভাবে?